
৫২ আন্তর্জাতিক ডেস্ক।।
ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু-কাশ্মিরে নিরাপত্তা বাহিনী ও গেরিলাদের মধ্যে বন্দুকযুদ্ধে চার গেরিলা ও সেনাবাহিনীর এক প্যারা-কম্যান্ডো নিহত হয়েছে। আজ (মঙ্গলবার) দক্ষিণ কাশ্মিরের সোপিয়ান জেলায় উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে ওই নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটে। নিহতরা হিজবুল মুজাহিদীনের সদস্য বলে পুলিশের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে।
সোপিয়ানের নাদিগাম
এলাকায় গেরিলাদের উপস্থিতির কথা জানতে পেরে আজ ভোরে সেখানে সেনাবাহিনী,
প্যারা-কমান্ডো ও পুলিশের স্পেশাল অপারেশন গ্রুপের সদস্য সমন্বিত যৌথ
বাহিনী সেখানে তল্লাশি অভিযান চালায়।
লুকিয়ে থাকা গেরিলারা
যৌথবাহিনীকে লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলিবর্ষণ করলে যৌথবাহিনী পাল্টা
গুলিবর্ষণ করে জবাব দেয়। এসময় এইচসি বিজয় নামে এক প্যারা কম্যান্ডো গুরুতর
আহত হলে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে ওই জওয়ান মারা যান।
ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংশ্লিষ্ট এলাকায় ইন্টারনেট পরিসেবা বন্ধ করে দেয়া হয়।

এপ্রসঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের ‘উদার আকাশ’
পত্রিকার সম্পাদক ফারুক আহমেদ আজ (মঙ্গলবার) রেডিও তেহরানকে বলেন,
‘কাশ্মিরের সোপিয়ানে চার গেরিলা ও এক প্যারাকম্যান্ডো নিহত হওয়ার ঘটনায়
প্রমাণিত হচ্ছে সেখানকার পরিস্থিতি কতটা অশান্ত। প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন,
গুলিতে নয়, আলিঙ্গনেই কাশ্মির সমস্যা দূর হবে। কিন্তু তার প্রতিফলন কোথায়?
কেন্দ্রীয় সরকারের চরম ব্যর্থতার ফলেই সেখানে নিত্য সেনা-গেরিলা ও সাধারণ
মানুষের মৃত্যু মিছিল বাড়ছে। অবিলম্বে এসব বন্ধ হওয়া উচিত।’

এদিকে, আজ অনন্তনাগের হুররিয়াত নেতা মীর
হাফিজুল্লাহ অজ্ঞাত বন্দুকধারীর গুলিতে নিহত হয়েছেন। পুলিশ ওই ঘটনায়
সন্ত্রাসীরা দায়ী বলে জানিয়েছে।
সাইয়্যেদ আলী শাহ
গিলানী, মীর ওয়াইজ ওমর ফারুক, মুহাম্মদ ইয়াসীন মালিকের সমন্বিত যৌথ
প্রতিরোধ নেতৃত্ব ওই ঘটনাকে কাপুরুষোচিত ও বর্বর আক্রমণ বলে কঠোরভাবে
নিন্দা জানিয়েছেন। তাঁরা ওই ঘটনার নেপথ্যে সরকারি এজেন্সিকে দায়ী করে আগামী
২২ নভেম্বর কাশ্মির উপত্যকায় বনধের ডাক দিয়েছেন।
সম্পাদক : মোঃ আব্দুল আজিজ
বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয় : হাউজ নং - ৬, রোড নং - ১০, সেক্টর - ১০, উত্তরা ঢাকা।
Copyright © www.nch52.com all rights reserved.- 2024