৫২ বিশেষ ডেস্ক।।
গাজীপুর সদরের ভবানীপুর এলাকায় ৬ ফেব্রুয়ারি দুপুর ২ টায় হামজা কেমিক্যালের কারখানায় পরিবেশ অধিদপ্তরের টিম অভিযান পরিচালিত করেন।
অভিযানে পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারি পরিচালক মুজাহিদুল ইসলাম ও ইন্সপেক্টর সাইফুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
এলাকাবাসি জানান, কারখানার মালিক অনেক ক্ষমতাধর তাই কোন কিছুতেই কাজ হচ্ছেনা। কেউ ব্যবস্থা নিতে আসলে কিছুদিন পর অদৃশ্য কারনে তারা ও নিরব হয়ে যান ফলে এলাকার পরিবেশ বাঁচানো কঠিন হয়ে পরেছে।
সরেজমিনে জানা যায়, ভবানীপুর বাজারের উত্তরে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পূর্ব পাশে হামজা কেমিক্যাল কারখানা। এর মালিক আবুল কাশেম। কারখানাটিতে রাসায়নিক সোডিয়াম সিলিকেট দিয়ে মোটা ও পাতলা গাম উৎপাদন করা হয়।
ভেতরে গিয়ে দেখা যায়, কারখানার দক্ষিণ অংশে একাধিক চুল্লিতে উচ্চ তাপমাত্রায় কাচ গলানোর কাজ চলছে। শ্রমিক ৬০-৭০ জন। ঝুঁকি ও স্বাস্থ্য নিরাপত্তায় তাদের চশমা ও হ্যান্ড গ্লাভসসহ প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম নেই।
কারখানা সংলগ্ন দক্ষিণ পাশে সরকারি আকাশমনি বাগান। বাগানে গাছ প্রায় সাড়ে ৩০০। এর মধ্যে অনেক গাছ মরে গেছে। আরও মরে যাচ্ছে। এভাবে প্রায় পৌনে ১০০ গাছ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, কারখানাটির দক্ষিণ অংশ ফাঁকা। চুল্লির উচ্চতাপ ও ক্ষতিকর কণার প্রভাবে গাছগুলো মরছে। কমছে মাটির উর্বরা শক্তি।
তারা আরও জানান, কারখানায় উৎপাদন প্রক্রিয়ার সময় দিনে ও রাতে কয়েকবার বিস্ফোরণে বিকট শব্দ হয়। তাদের শব্দ প্রতিরোধী কোন ব্যবস্থা নেই। এতে পাশে বসবাসরত বাসিন্দাদের নানা সমস্যা হচ্ছে।
ইন্সপেক্টর সাইফুল ইসলাম নিউজ চ্যানেল ৫২ কে জানান, আমরা অভিযোগের প্রেক্ষিতে হামজা কেমিক্যালে অভিযান চালাই এবং তাদের কারখানা থেকে নমুনা হিসেবে দু’বোতল পানি নিয়েছি, এগুলো ল্যাবে পরিক্ষা নিরিক্ষা করে তারপর ব্যবস্থা নেয়া হবে।
উল্লেখ্য গত ৬ জানুয়ারি কয়েকটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল সহ গণ-মাধ্যমে হামজা কেমিক্যালের পরিবেশ দুষণের খবর প্রকাশিত হয়।
ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায় হামজা কেমিক্যালের পাশে থাকা বন বিভাগের গাছ পালা মরে কাঠ হেয়ে গেছে। পাশের বনের জায়গায় মারাত্তক ভাবে পরিবেশ দুষণের স্বিকার।
এ ব্যপারে হামজা কেমিক্যালের মালিকের সংঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি এ ব্যপারে মন্তব্য করতে রাজি হননি।
সম্পাদক : মোঃ আব্দুল আজিজ
বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয় : হাউজ নং - ৬, রোড নং - ১০, সেক্টর - ১০, উত্তরা ঢাকা।
Copyright © www.nch52.com all rights reserved.- 2024