
৫২ ক্রাইম ডেস্ক।।
ড্রাগ লাইসেন্স নেই, ঔষধ উৎপাদনের অনুমোদন নেই, নেই পল্লীচিকিৎসকের প্রশিক্ষণও তার পরও ডাক্তার বলে কথা! দিব্যি তার নামের পরে টাইটেল জেনারেল ফিজিসিয়ান, ডিপ্লোমা মেডিসিন প্যারামেডিক্স, ডিপ্লোমা ইউনানী মেডিসিন, যৌন ও স্ত্রী রোগ প্রশিক্ষন প্রাপ্ত ।
শুধু তাই নয় নিজের ফার্মেসির পিছনে অনুমোদন হীন ভাবে, উৎপাদন করছেন যৌন উত্তেজক ঔষধ সহ ইউনানী বিভিন্ন ঔষধ! তা বাজার জাত করে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন সাধারন খেটে খাওয়া মানুষের কাছ থেকে। স্বাস্থ্য ঝুকিতে পরছে এলাকার নিম্ন আয়ের মানুষ, অবৈধ ভাবে ঔষধ উৎপাদন করে তা বাজারজাত করে সরকারকে দিচ্ছেন কর ফাঁকি।
তিনি আর কেহ নয় তিনি হলেন গিলাগাছা গ্রামের, মা মেডিকেল ফার্মেসীর ডাক্তার আমিনুল ইসলাম, সরেজমিনে গিয়ে দেখা হয় ডাক্তার আমিনুলের সাথে অকপটে স্বীকার করেন তার অপকর্মের কথা, তার গ্রামের বাড়ি কুমিল্লা, ২০১০ সালে গাজীপুরের হোতাপাড়া থেকে পশ্চিমে গোল্ডেন ফ্যাক্টেরীর সামনে দোকান ভাড়া করে শুরু করেন ঔষধের ব্যবসা, নাম মাত্র ইউনানী মেডিসিনের প্রশিক্ষণ নিয়ে ঔষধ উৎপাদন শুরু করেন এবং তা বাজার জাত করে আসছেন।
তার কাছে তার সাইন বোর্ডের ডিগ্রীর বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে তিনি স্বীকার করেন এগুলো ভুলে লিখেছেন, তার কাছে ড্রাগ লাইসেন্স ও ঔষধ উৎপাদনের লাইসেন্স দেখতে চাইলে তাও দেখাতে পারেন নি। পরে স্বীকার করেন তার এই সকল কাগজ নেই, বানানোর জন্য দেয়া হয়েছে।
এলাকার অশিক্ষিত নিম্ন আয়ের মানুষের স্বাস্থ্য সেবার তদারকির দায়িত্ব কার ? সরকারের যথাযথ কতৃপক্ষ যদি এই বিষয়ে জরুরী পদক্ষেপ না নেন তাহলে মারাত্বক স্বাস্থ্য ঝুকিতে পরবেন, এলাকার শ্রমিক, দিনমজুর, নিম্ন আয়ের মানুষ। আর এর সুবাদে সুযোগ নেবে আমিনুলের মত আরো অনেকে, মানুষের মৌলিক অধিকার চিকিৎসা সেবা নিয়ে বানিজ্য করবেন তারা, স্বাস্থ্য ঝুকিতে পরবেন মানুষ। তাই সমাজের ভিতরে লুকিয়ে থাকা আমিনুলদের আইনের আওতায় এনে যথাযথ শাস্তির ব্যবস্থা করার দাবী এলাকাবাসীর।
সম্পাদক : মোঃ আব্দুল আজিজ
বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয় : হাউজ নং - ৬, রোড নং - ১০, সেক্টর - ১০, উত্তরা ঢাকা।
Copyright © www.nch52.com all rights reserved.- 2024