রাজধানীর মেরুল বাড্ডার ইসলামিক ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে জামায়াতের ১৮ নেতা–কর্মীকে আটক করেছে পুলিশ। তাঁরা ওই স্কুলে বসে নাশকতার পরিকল্পনা করছিলেন বলে দাবি করেছে পুলিশ।
বাড্ডা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম এ জলিল প্রথম আলোকে বলেন, ইসলামিক ইন্টারন্যাশনাল স্কুলটির দুটি শাখা রয়েছে। একটি গুলশানে আর অন্যটি মেরুল বাড্ডার যে স্কুলটিতে অভিযান চালানো হয়েছে সেটি। দুটি শাখারই অধ্যক্ষ শামসুন্নাহার নিজামী। তবে স্কুলটিতে অভিযান চালানোর সময় তিনি সেখানে ছিলেন না।
এম এ জলিল বলেন, বাড্ডা থানা জামায়াতের আমির ফখরুদ্দিন মো. কেফায়েতুল্লাহ স্কুলটির ভাইস প্রিন্সিপাল। তিনিই এই শাখাটি চালাতেন। তাঁকে আটক করা হয়েছে। তাঁর পরিবারের অন্য সদস্যদেরও আটক করা হয়েছে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য। বাড়ির মালিক বিল্লাল হোসেনসহ মোট ১৮ জনকে আটক করা হয়েছে বলে জানান জলিল।
বাড্ডায় স্কুলটিতে গিয়ে দেখা যায়, ছয়তলা একটি ভবনে স্কুলটি। এর তিনতলায় বাড়ির মালিক সপরিবারে এবং ছয়তলার ওপর একটি চিলেকোঠায় থাকতেন ভাইস প্রিন্সিপাল ও তাঁর পরিবার। বাড়িটির মূল ফটক অভিযানের পর থেকে তালা দেওয়া রয়েছে। স্কুলটিতে প্লে গ্রুপ থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ানো হয়।
স্থানীয় চয়েজ অটো ড্রাই ক্লিনার অ্যান্ড লন্ড্রির মালিক জাহাঙ্গীর আলম প্রথম আলোকে বলেন, আজ সকাল সাড়ে আটটার দিকে বিপুলসংখ্যক পুলিশ তিনটি গাড়িসহ বিল্লাল হোসেনের ছয়তলা ভবনে প্রবেশ করে। এর প্রায় দুই ঘণ্টা পর সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নারীসহ বেশ কয়েকজনকে ওই ভবন থেকে বের করে পুলিশের গাড়িতে করে থানায় নিয়ে যায়। প্রায় তিন বছর আগে স্কুলটি এখানে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
