ইয়ামিন হোসেন ।।
ভোলা সদর উপজেলার ইলিশা ফেরিঘাটে শ্রমিক কল্যান তহবিলের নাম ভাঙ্গিয়ে ১টি মহল চাঁদাবাজি করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের ভিত্তিতে সরজমিনে গিয়ে ঐ রূটে চলাচলকারী ট্রাক চালকদের সাথে যোগাযোগ করলে তারা জানান, আমরা ভোলার লক্ষ্মীপুর যাত্রা পথে ইলিশা ফেরিঘাট আসলে শ্রমিক কল্যান তহবিলের নাম ভাঙ্গিয়ে আমাদের কাছ থেকে ২০ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত নেয়।
ট্রাক চালক মহসিন, জামাল, আমির, কালাম জানান, বর্তমানে নতুন এক লাইনম্যান আসার পর আমাদের কাছ থেকে অতিরিক্ত চাঁদা নেওয়া হয় না। নাম প্রকাশ না করা সত্ত্বে ইলিশার ফেরিঘাটে কর্তব্যরত এক পুলিশ সদস্য জানান, মিন্টু নামের ১জন লাইনম্যান আসার পর থেকে ২০ টাকার রশিদের বাহিরে কোন টাকা নেওয়া হয় না।
ঐ ঘাটের একাধিক ব্যবসায়ীর সাথে যোগাযোগ করে জানা যায়, মিন্টু নামে ১জন লাইন ম্যান যোগদানের পর ফেরিঘাটের শ্রমিক কল্যান তহবিলের চাঁদাবাজি এখন শূণ্যের কোঠায়। এই ব্যাপারে ভোলা জেলা ট্রাক, ট্যাংকলরি, কাভাটভ্যান, শ্রমিক ইউনিয়ন (রেজি: নং-খুলনা ১৯৮৮) সভাপতি রিপন হাওলাদারের সাথে যোগাযোগকরলে সে জানান, আমাদের কাজ হলো শ্রমিকদের সুযোগ সুবিধা দেওয়া এর মধ্যে কেউ যদি শ্রমিক কল্যানের নাম ভাঙ্গিয়ে কাউকে জিম্বি করে আমাদের নির্ধারিত রশিদ ছাড়া টাকা নেয় তার বিরুদ্ধে দ্রুত প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
এই ব্যাপারে ঐ ঘাটের সিরিয়ালম্যান মিন্টুর সাথে যোগাযোগ করলে সে বলেন, শ্রমিক কল্যান তহবিলের নামে আমি আমার রশিদের বাহিরে ১ পয়সাও যদি নেই তাহলে আমার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক। মিন্টু আরো বলেন, আমার রশিদে নির্ধারিত ২০ টাকা আমি তার বাহিরে ২১ টাকা নিতেও রাজি না। অন্যদিকে কেউ যদি আমাদের সংগঠনের নামে কোন ড্রাইভার থেকে চাঁদা নেয় তার বিরুদ্ধে যেন দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক। এটাই ইলিশা ফেরিঘাটের ভুক্তভোগী ড্রাইভারদের দাবি। ইলিশা তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ বশির আহাম্মেদ বলেন, এই ব্যাপারে কোন লিখিত অভিযোগ পেলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সম্পাদক : মোঃ আব্দুল আজিজ
বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয় : হাউজ নং - ৬, রোড নং - ১০, সেক্টর - ১০, উত্তরা ঢাকা।
Copyright © www.nch52.com all rights reserved.- 2024