শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬, ০৩:৫৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
একটি জানাযা ও আত্ম উপলব্ধি! ‘স্বাধীন বার্তা’য় গৃহবধূ নির্যাতনের সংবাদ ভূয়া, ছবি এআই নির্মিত বলে দাবি সাংবাদিক নাঈমের   ফাইনালে পাত্তাই পেলোনা আর্জেন্টিনা বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন স্পেন ‎নন্দিত কথা সাহিত্যিক হুমায়ুন আহমেদের ১৪ তম মৃত্যুবার্ষিকী : হারানোর পথে নুহাশ পল্লীর জৌলুস  ‎গাজীপুরে যুব সমাজের উদ্যোগে মাদকবিরোধী আলোচনা সভা গাজীপুরে জলাবদ্ধতায় চার গ্রামের দুই হাজার পরিবার পানিবন্দি গাজীপুরে ছাত্রশিবিরের মাদকবিরোধী র‍্যালি টঙ্গীতে ভালোবাসার টানে ঝড়-বৃষ্টি উপেক্ষা করে ৪৪ নম্বর ওয়ার্ডে এলাকাবাসীর প্রতিবাদ সভা দৈনিক নয়া দিগন্তের সাংবাদিক আব্দুল আজিজের ওপর হামলার প্রতিবাদে গাজীপুরে মানববন্ধন ‎ চাঁদাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার যুবদল নেতা শামীম বহিষ্কার না হওয়ায় ক্ষোভ

নকশি কাঁথা: বাংলার ইতিহাস আর সংস্কৃতির গল্প

নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট টাইম : সোমবার, ২৬ মে, ২০২৫, ৮:১৫ অপরাহ্ণ

৫২ ফিচার ডেস্ক।।

নকশি কাঁথা শুধু একটি শিল্প নয়, এটি বাংলার ইতিহাস আর সংস্কৃতির গল্প। শত শত বছর ধরে বাংলা ছিল এক গুরুত্বপূর্ণ সাংস্কৃতিক ও বাণিজ্যিক কেন্দ্র। এখানকার সাহিত্য, শিল্প, সুতা-মসলিনের খ্যাতি ছিল দূর দূরান্তে। আর নকশি কাঁথা সেই গৌরবের এক উত্তরাধিকার।

মাগুরা পাড়া গ্রামের জরিনা বেগম বন্ধুদের সঙ্গে বসে আছেন নিজেদের বাড়ির সামনের উঠোনে। পুরোনো চালের বস্তা সেলাই করে বানানো মাদুরে পিঁড়ি পেতে বসে গল্প আর হাসির ভেতরেও হাত থেমে নেই তাদের। সূঁচ আর সুতোয় কাপড় বুনে একটির পর একটি রঙিন কাঁথা তৈরি করছেন তারা। এভাবেই যুগের পর যুগ ধরে চলে আসছে নকশি কাঁথার শিল্প—এক চিরন্তন ঐতিহ্য।

এই প্রাচীন সেলাইশিল্প আবার নতুন করে জনপ্রিয়তা ফিরে পাচ্ছে। শুধু বাংলাদেশ বা ভারতেই নয়, আজ নকশি কাঁথার দেখা মিলছে বিশ্বের নানা প্রান্তের জাদুঘরে, ক্যাটওয়াকে কিংবা বুটিকে।

বিশ্বজুড়ে এই আগ্রহের পেছনে আছে অনলাইন কেনাকাটার সহজলভ্যতা, পুনঃব্যবহার বা আপসাইক্লিং-এর নতুন ঢেউ এবং পরিবেশ সচেতনতার প্রতি মানুষের বাড়তে থাকা টান।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ‘কাঁথা বে’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা ক্রিস্টা সারটিন এ প্রসঙ্গে বলেন, এর পেছনে আরও একটি কারণ আছে—আশা। সারটিন বলেন, ‘আশা এখন ভাইরাল। এই আশাই হল সেই সেতু, যা এই পবিত্র শিল্পকর্মগুলোকে সাংস্কৃতিক সীমা পেরিয়ে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে দিচ্ছে।’

নকশি কাঁথা শুধু একটি শিল্প নয়, এটি বাংলার ইতিহাস আর সংস্কৃতির গল্প। শত শত বছর ধরে বাংলা ছিল এক গুরুত্বপূর্ণ সাংস্কৃতিক ও বাণিজ্যিক কেন্দ্র। এখানকার সাহিত্য, শিল্প, সুতা-মসলিনের খ্যাতি ছিল দূর দূরান্তে। আর নকশি কাঁথা সেই গৌরবের এক উত্তরাধিকার।

 

নকশি কাঁথা সেলাই কী?

 

প্রথাগত নকশি কাঁথা হলো গ্রামবাংলার ঘরের নারীদের হাতে তৈরি একধরনের কম্বল বা চাদর। ‘নকশি’ মানে শৈল্পিক আঁকিবুঁকি, আর ‘কাঁথা’ মানে পুরোনো কাপড়ের কম্বল। যদিও সংস্কৃত শব্দ ‘কান্থা’ থেকে এর উৎপত্তি, যার অর্থই পুরোনো কাপড়। কয়েকটি পুরোনো শাড়ির স্তর একসঙ্গে জোড়া দিয়ে তৈরি হয় একটি কাঁথা। আর সেই কাঁথায় সূঁচ-সুতোয় ফুটে ওঠে তাদের দৈনন্দিন জীবন, লোককথা কিংবা ব্যক্তিগত স্মৃতির ছবি।

 

এই শিল্প মা থেকে মেয়ে, প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে চলে এসেছে। সময়ের সঙ্গে বদলেছে এর ধরণ, রঙ, উপকরণ। বদলেছে ট্রেন্ড, উপকরণ এবং শিল্পীদের চাহিদা।

নকশি কাঁথা নিয়ে বই লিখেছেন সমাজকর্মী মালেকা খান। তিনি বলেন, প্রথম দিকে কাঁথা তৈরি হতো মূলত শীত কিংবা বর্ষার সময় গায়ে দেওয়ার জন্য। কিন্তু ধীরে ধীরে সেই কাপড়ের প্রতিটি ফোঁড়ে জুড়ে বসে গেছে ভালোবাসা, স্মৃতি, আর জীবনের গল্প। প্রতিটি কাঁথা যেন হয়ে উঠেছে এক একটি পরিবারের ব্যক্তিগত ইতিহাস।

 

মালেকা বলেন, ‘গ্রামের নারীরা খুব বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে পুরোনো শাড়িগুলোকে নতুন রূপ দিতেন। সুন্দর রঙিন পার গুলো কেটে রেখে দিতেন, সেগুলো দিয়ে পরে সূচিকর্ম করতেন। ইউরোপীয় ক্রেতারা বরাবরই বাংলার সুতা আর রেশমের মানের প্রতি আকৃষ্ট ছিল।’

 

তার বইয়ের পাতা উল্টে তিনি দেখান ১৯শ শতকের প্রথম দিকের কিছু নকশি কাঁথা—যেগুলোয় ফুটে উঠেছে পুরাণ, লোকগাথা, আধুনিক জীবনের দৃশ্য, এমনকি বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা কিংবা রথযাত্রার ছবিও। শিল্পী যেই গল্প বলতে চেয়েছেন, সেই অনুযায়ী ফুটে উঠেছে পদ্মফুল, শঙ্খ কিংবা সূর্য।

তিনি বলেন, পুরোনো কাপড়গুলোর একটি জাদুকরী উদ্দেশ্যও ছিল। বিশ্বাস করা হতো, পুরোনো কাপড় দিয়ে তৈরি এসব কাঁথা কুনজর থেকে রক্ষা করে, দূরে রাখে অশুভ শক্তিকে। এবং আশ্চর্যের বিষয়, একটিও কাঁথা আরেকটির মতো হয় না। প্রতিটি কাঁথা এক একটি অদ্বিতীয় শিল্প।

 

মালেকা খান বলেন, ‘এই যে এক একটা কাঁথা এক এক রকম, এটাই তো জাদু। আমি পৃথিবীর আর কোথাও এমন শিল্প দেখিনি।’

 

নকশি কাঁথার ইতিহাস

 

নকশি কাঁথার প্রচলন প্রাচীন বৈদিক যুগে (খ্রিষ্টপূর্ব ১৫০০-এর আগের) শুরু হয়। কৃষ্ণদাস কবিরাজের শ্রী চৈতন্য চরিতামৃত গ্রন্থে এর উল্লেখ রয়েছে। তিনি লিখেছেন, চৈতন্যদেবের মা পুরীতে বসবাসরত তার ছেলেকে নিজ হাতে সেলাই করা একটি কাঁথা পাঠিয়েছিলেন।

 

বঙ্গ বিভিন্ন সাম্রাজ্যের শাসনের অধীনে ছিল, যেমন মৌর্য, গুপ্ত এবং মুঘল সাম্রাজ্য। এবং পরবর্তীতে এটি ব্রিটিশ শাসনের অধীনে একটি গুরুত্বপূর্ণ উপনিবেশে পরিণত হয়। ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ ভারত ভাগ হওয়ার পর, বঙ্গ দুটি অংশে বিভক্ত হয়– পশ্চিমবঙ্গ (ভারতের অংশ) এবং পূর্ববঙ্গ (যা পরবর্তীতে পূর্ব পাকিস্তান নামে পরিচিত হয়)। পূর্ব এবং পশ্চিম পাকিস্তানের মধ্যে উত্তেজনা ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে পরিণত হয়, যার ফলে বাংলাদেশ একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।

বাংলাদেশে নকশি কাঁথার ঐতিহ্য এখনও সবচেয়ে শক্তিশালী। এবং সময়ের সাথে বঙ্গভূমির সীমানা পরিবর্তিত হওয়ার মতো নকশি কাঁথাও শতাব্দী ধরে পরিবর্তিত হয়েছে। তবে এর প্রতীকী সূচিকর্ম অক্ষুণ্ন রয়েছে। বর্তমানে নকশাগুলো আগের থেকে সাধারণত আরও সরল হয়েছে।

 

মালেকা খান বলেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে কাঁথা এক অনন্য ও অজানা ভূমিকা রেখেছিল। যখন লাখো মানুষ প্রাণে বাঁচতে ভারতে পালিয়ে যাচ্ছিল, তারা নিজেদের গৃহসম্পদ পুরোনো কাপড়ের তৈরি কাঁথার ব্যাগে ভরে নিয়ে যেত। আহতদের শরীরে কাঁথা জড়ানো হতো, কাঁথা দিয়ে বানানো হতো প্রাথমিক চিকিৎসার উপকরণ।

 

তখন সমাজকর্মী হিসেবে কাজ করছিলেন মালেকা। যুদ্ধের ভয়াবহতায় ভেঙে পড়া নারীদের পাশে দাঁড়াতে গিয়ে দেখেছেন, যেসব নারী মুখ ফুটে কিছু বলতে পারতেন না, তারা সূচিকর্মে ফিরে পেতেন এক ধরনের প্রশান্তি।

 

আজকের নকশী কাঁথা

 

আজকাল নকশি কাঁথা নতুন করে পরিচিতি পেয়েছে। স্থানীয় এবং বৈশ্বিক উভয় ক্ষেত্রেই এর বাণিজ্যিক চাহিদা বেড়েছে। তবে এখন এগুলো পুরোনো শাড়ির পরিবর্তে সাধারণত নতুন সুতি কাপড়ে তৈরি করা হয়। যদিও একক সূচিকর্ম এই শিল্পের মূল ভিত্তি, নকশাগুলোগুলি প্রায়ই কাপড়ে আঁকা হয় এবং তারপর তার ওপরে সূচিকর্ম করা হয়। এভাবে, দ্রুততার সাথে এবং সস্তায় উৎপাদন করা সম্ভব হয়।

তবে পুরান নকশী কাঁথার প্রচলন এখনও রয়েছে। গ্রামীণ শহরগুলোতে এখনও নকশী কাঁথা পাওয়া যায়, দশকের পর দশক ধরে সেলাই করা কাথাগুলোতে থাকা নকশা আর কাপড়ের স্তর অনেক গল্প জমিয়ে রাখে।

 

জামালপুর জেলা দেশের বিভিন্ন নকশী কাঁথা উৎপাদন কেন্দ্রের মধ্যে একটি। অন্যান্য উৎপাদন কেন্দ্রগুলোর মতো, উদ্যোক্তারা আশপাশের গ্রাম থেকে ১০০ জন মহিলাকে দিয়ে কাজ করান। তাদেরকে ইতোমধ্যেই প্রস্তুত করা সেঁটে দেওয়া তুলার কাপড় এবং সুতা সরবরাহ করা হয়। প্রতিটি কাঁথার জন্য মজুরি দেওয়া হয়। তারপর সেগুলো ধুয়ে, প্যাকেজিং করে সমগ্র দেশে বিতরণ করা হয়।

 

বাংলাদেশের জামালপুর জেলা, যেখানে জরিনা বেগম এবং তার বন্ধুরা বসে কাঁথা সেলাই করেন, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে নকশি কাঁথা তৈরির একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। অন্যান্য কেন্দ্রগুলোর মতো, এখানে উদ্যোক্তারা কাছাকাছি গ্রামের ১০০ জন নারীকে কাঁথা তৈরির জন্য নিয়োগ দেন। তারা এসব নারীদের আগে থেকেই স্টেন্সিল করা কাপড় এবং সুতা সরবরাহ করেন এবং প্রতিটি কাঁথার জন্য তাদের পারিশ্রমিক দেন। এরপর, ওই নারীরা কাঁথাগুলো ধুয়ে, প্যাকেজিং করে তা দূরবর্তী অঞ্চলে পাঠান।

 

সুলতান মাহমুদ এমন একজন উদ্যোক্তা, যিনি ৩০ বছর আগে জামালপুরে খালি হাতে এসেছিলেন। তিনি বলেন, ‘আমার কাছে ছিল শুধু পরনের লুঙ্গি এবং একটি শার্ট। আমি ধীরে ধীরে ব্যবসা শুরু করি।’ আজ তার ব্যবসা সফল এবং বর্তমানে তিনি জামালপুর নকশি কাঁথা কোঅপারেটিভের সহ-সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। প্রতিমাসে তিনি কমপক্ষে ৫ হাজার কাঁথা বিক্রি করেন।

নকশি কাঁথার চাহিদা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে নারীদের ক্ষমতায়ন এবং কর্মসংস্থানে এর অবদান বৃদ্ধি পেয়েছে। জামালপুরের কাছাকাছি বসবাসরত মিতু বাসফোর তার অবসর সময়ে সুলতান মাহমুদের জন্য কাঁথা তৈরি করেন। তিনি বলেন, ‘আমি যে টাকা আয় করি কাঁথা বিক্রি করে, তা দিয়ে আমার সন্তানদের স্কুলে পাঠাতে পারি। এটা অনেক ভালো লাগে।’ যে দেশে নারীরা অনেক সময় আর্থিকভাবে স্বাধীন নন, পরিবারে অবদান রাখার এই সুযোগটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

 

রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত এনজিও বাসা-এর মূল অফিসে নারীরা তাদের সাপ্তাহিক সময় কাটান কাপড় বিছিয়ে এবং কাঁথা সেলাই করে। আর তাদের ছোট ছোট সন্তানদের জন্য পরিচর্যার ব্যবস্থা থাকার পাশাপাশি ও স্কুলে পাঠদান করা হয়। এতে নারীদের ওপর থেকে এক ধরনের বোঝা কমে যায় এবং তারা আয় করতে পারেন। খুচরা বিক্রেতারা এই এনজিও থেকে অনলাইনে পণ্য কেনে, এবং তাদের পণ্য বিশ্বব্যাপী বিক্রি হয়।

বাসা-এর প্রতিষ্ঠাতা রবিন সাইফার্ট-এর তথ্য অনুযায়ী, গত এক দশকে নকশি কাঁথার পুনরুজ্জীবনের অন্যতম কারণ ছিল গ্রাহকদের মধ্যে একটি বৈশ্বিক প্রবণতা, যেখানে তারা বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদিত, নৈতিকভাবে তৈরি পণ্যের দিকে ঝুঁকছেন। তিনি বলেন, ‘প্রতিটি কাঁথা অনন্য, যা দোকানের শেলফে থাকা বৃহৎ পরিমাণে উৎপাদিত পণ্য থেকে অনেক দূরে, সেটাই তাদের আবেদন।’

 

পুনঃপ্রক্রিয়াজাত উপকরণের ব্যবহার এক ধরনের বোনাস। পরিবেশবান্ধব পণ্য বিক্রি হয়। বাসার পণ্যগুলো প্রায় একচেটিয়াভাবে অনলাইনে বিক্রি হয়—এস্তোনিয়া থেকে হংকং, যুক্তরাষ্ট্র থেকে সিঙ্গাপুর পর্যন্ত। তারা ঐতিহ্যবাহী কাঁথা বিক্রি করে। তবে এই ধারণাটি আধুনিকীকরণের মাধ্যমে তারা অন্যান্য সেলাই করা পণ্য যেমন জ্যাকেট এবং ব্যাগও বিক্রি করছে। সাইফার্ট বলেন, ‘এখন বিশ্বব্যাপী পণ্য পাঠানো এবং সংযোগ স্থাপন করা অনেক সহজ।’

 

পুরোনো বা আধুনিক, নকশি কাঁথা এখনও বাংলা অঞ্চলের এবং এখানকার মানুষের একটি সুন্দর প্রতীক হিসেবে রয়ে গেছে, যা সমৃদ্ধ ঐতিহ্যকে সংরক্ষণ করে। এবং আধুনিক প্রবণতা ও বাজারের পরিবর্তনের সাথে খাপ খাইয়ে নেয়।


এ জাতীয় আরো খবর...

আর্কাইভ সংবাদ

FriSatSunMonTueWedThu
     12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31      
   1234
567891011
12131415161718
19202122232425
2627282930  
       
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031    
       
     12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
       
  12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
2728293031  
       
      1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031     
   1234
567891011
12131415161718
19202122232425
262728293031 
       
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930    
       
     12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31      
   1234
567891011
12131415161718
19202122232425
2627282930  
       
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031    
       
    123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031
       
  12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
27282930   
       
      1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031     
    123
45678910
11121314151617
18192021222324
252627282930 
       
22232425262728
2930     
       
    123
45678910
       
  12345
13141516171819
20212223242526
27282930   
       
      1
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031     
   1234
567891011
12131415161718
19202122232425
262728293031 
       
      1
23242526272829
30      
   1234
567891011
12131415161718
19202122232425
       
     12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31      
  12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
2728293031  
       
      1
2345678
23242526272829
3031     
    123
45678910
11121314151617
18192021222324
252627282930 
       
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031   
       
      1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
30      
   1234
12131415161718
19202122232425
262728293031 
       
   1234
567891011
12131415161718
19202122232425
262728    
       
      1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031     
    123
45678910
11121314151617
18192021222324
252627282930 
       
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031   
       
     12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31      
   1234
567891011
12131415161718
19202122232425
2627282930  
       
15161718192021
22232425262728
293031    
       
     12
17181920212223
       
  12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
2728293031  
       
14151617181920
21222324252627
2829     
       
     12
17181920212223
31      
  12345
20212223242526
2728293031  
       
2930     
       
    123
11121314151617
18192021222324
       
  12345
6789101112
13141516171819
27282930   
       
      1
9101112131415
16171819202122
3031     
   1234
567891011
12131415161718
       
 123456
21222324252627
282930    
       
     12
3456789
31      
   1234
567891011
12131415161718
19202122232425
2627282930  
       
22232425262728
       
       
      1
2345678
9101112131415
30      
   1234
567891011
12131415161718
19202122232425
262728293031 
       
    123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031
       
      1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031     
      1
2345678
9101112131415
16171819202122
232425262728 
       
   1234
567891011
12131415161718
19202122232425
262728293031 
       
    123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031
       
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031   
       
      1
2345678
23242526272829
30      
   1234
567891011
12131415161718
19202122232425
262728293031 
       
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930    
       
     12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31      
     12
17181920212223
2425262728  
       
  12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
2728293031  
       
      1
2345678
16171819202122
23242526272829
3031     
    123
45678910
11121314151617
18192021222324
252627282930 
       
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031   
       
      1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
30      
   1234
567891011
19202122232425
262728293031 
       
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031    
       
     12
10111213141516
       
  12345
20212223242526
       
2930     
       
    123
25262728293031
       
   1234
19202122232425
26272829   
       
891011121314
293031    
       
    123
25262728293031
       
  12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
27282930   
       
      1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031     
    123
45678910
11121314151617
18192021222324
252627282930 
       
 123456
78910111213
21222324252627
28293031   
       
     12
24252627282930
31      
293031    
       
  12345
2728     
       
      1
2345678
9101112131415
16171819202122
3031     
আপনার সন্তানকে দ্বীনি শিক্ষার পাশাপাশি আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতে উক্ত প্রতিষ্ঠানে ভর্তি করাতে যোগাযোগ পরিচালক: ০১৭৪৩৫৬০২৫২
আপনার হালাল উপার্জনের একটি অংশ দান করে মসজিদ মাদ্রাসা নির্মাণে সহযোগিতা করে সদাকায়ে জারিয়ায় অংশ নিন।
এক ক্লিকে বিভাগের খবর