সদর উপজেলার ভবানীপুর ভৌড়াঘাটা এলাকায় জমির বায়না টাকা আত্মসাৎ এর উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে পুলিশ ও স্থানীয় মধ্যস্থতাকারীদের নামে মিথ্যা অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলনের প্রতিবাদে ২৫ অক্টোবর (শনিবার) হোতাপাড়ায় আরেকটি সংবাদ সম্মেলন করেন স্থানীয় নুরুল আমিন মাস্টার।
সংবাদ সম্মেলনে নুরুল আমিন মাস্টার বলেন, গত কোরবানির ঈদের দুই দিন আগে স্থানীয় জুবাইদুর রহমানের সাথে আফাজ উদ্দিনের ছেলে দিপু তার ৫.২৫ শতাংশ জমি ১৫ লক্ষ টাকা মূল্যে বিক্রয়ের জন্য নগদ ২ লক্ষ টাকায় খোলা বায়না করেন। পরবর্তীতে আবার নগদ ১৭ হাজার টাকা ও চেকের মাধ্যমে ৩ লক্ষ টাকা নেন। উক্ত বায়না চুক্তির সময় সাব রেজিস্ট্রি অফিস বন্ধ থাকায়, দিপুর বাবা আফাজ উদ্দিন ও তার ভগ্নিপতি আজিজুল শিকদার সহ অন্যান্যরা আমাকে ডেকে নিয়ে উক্ত ঘটনার সাক্ষী করেন।
পরবর্তীতে অনেক দিন অতিবাহিত হওয়ার পরেও দিপু তার জমি বায়নাকারীকে রেজিস্ট্রি করে দেয়া অথবা বায়নার টাকা ফেরত দেওয়ার বিষয়ে কোনো উদ্যোগ না নিলে, ভুক্তভোগী জুবাইদুর রহমান, আমি সহ এলাকার অন্যান্য গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কাছে বিষয়টি জানান, আমরা বিষয়টি জেনে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও এলাকার সম্মানিত ব্যাক্তিবর্গের উপস্থিতিতে একাধিকবার আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হই।
পরে এই বিষয়ে গত ৫ অক্টোবর ভুক্তভোগী জুবাইদুর রহমান একটি লিখিত অভিযোগ করেন।
অভিযোগের ফলে ক্ষিপ্ত হয়ে বায়নার টাকা আত্মসাৎ করার উদ্দেশ্যে তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশের উপ-পরিদর্শক আলমগীর হোসেন ও স্থানীয় মধ্যস্থতাকারী হিসেবে আমার নামে মিথ্যা বানোয়াট ও কল্পনা প্রসূত অভিযোগ এনে আমার দীর্ঘদিনের অর্জিত সুনাম সততা ও সামাজিক মর্যাদা কে চরমভাবে কুলুষিত করে আমাকে মানসিকভাবে ও সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য গত ২৩ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) সাংবাদিক ভাইদের ভুল বুঝিয়ে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন।
উক্ত ঘটনায় আমি নুরুল আমিন মাস্টার ও জয়দেবপুর থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক আলমগীর হোসেন কে জড়িয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে ভুল তথ্য প্রচার হয়। আমি উক্ত মিথ্যা বানোয়াট তথ্যের ভিত্তিতে করা সংবাদ সম্মেলনের প্রতিবাদে আজ সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা তুলে ধরলাম।
সাংবাদিক ভাইদের মাধ্যমে উক্ত ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করে সত্য উদঘাটন ও আমার সামাজিক মর্যাদা পুনরুদ্ধারে আপনাদের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করি।