-মুক্তারুজ্জামান খাঁন মুক্তি
তুই যেদিন জন্ম নিলি তোর মায়ের কোলে,
আমি সেদিন পৃথিবীর সব কষ্ট ভুলে
ডেকে ছিলাম মা, মা বলে
আমার জন্মদাতা মা কে ভুলে ।
তোর মায়ের গর্ভে আসলি সবে
খুঁশিতে সেদিন আত্নহারা হয়েছি ভবে
ধিরে ধিরে তোর মায়ের গর্ভে
পাঁচ ইন্ধিয় সবল হল
তোর মা নিদ্রাহীন সময় কাটে
কষ্টে তার বুকটা ফাটে
গর্ভে তোরে নিয়ে চলে
আসবি তুই মায়ের কোলে ।
হঠাত একদিন ব্যাথার চোটে
তোর মায়ের পাজরের হাঢ়
ব্যাথার যাচ্ছে ভেঙ্গে,
প্রকৃতির সেই ডাক পরেছে
বুঝে আমি অস্তির হলাম,
দাই-রা সব চেষ্টা করে
ব্যর্থ হয়ে বলল শেষে
হাসপাতালে নিতে হবে
তোর মা, আমার হাতটি ধরে
বলল কেঁদে বিনয় করে
আমি যদি যাই মরে
আমার সন্তান কে রেখ
তোমার বুকে স্ব-যতনে,
ডাক্তার তোর মা, কে নিল
অপারেশন থিয়েটারে।
ডাক্তার তার নিজ হাতে
কেচি দিয়ে ছিন্ন ভিন্ন করে
কাটিয়া পেট বাহির করিল তুকে
কাঁদলি তুই নতুন পৃথিবীতে এসে।
তোর মা অজ্ঞান হয়ে
থাকল পরে অপারেশন থ্রিয়েটারে
আমরা সেদিন সবাই হেসে ছিলাম
তোকে কুলে পেয়ে ।
অসহায় তুই,
তোর মায়ের দুধ পান করে
ধিরে ধিরে হইতে ছিলি বড়
কত রাত্র নিদ্রাহীন থাকিয়া তোর মা
প্রস্রাব ও মল মূত্র মেখে।
সেই তুমি,
বড় হইলে পড়া লেখা শিখে,
হঠাত করে একটি ছেলের
প্রেমে পরে,
দু দিনের ভালবাসা গড়ে
তুমি চলে গেলে তার হাতটি ধরে।
আমি হইতো পিঠে ধরেছি
রোদ বৃষ্টি ঝরে,
তোর মা,
বড় করল বুকে পিঠে নিয়ে
ক্ষয় করে জীবনের সব
বিশ টা বছর তোর পাশে রইলাম,
তবু কেন চলে গেলি
দুই দিনের ভালবাসায় পরে ।
বিধাতা তোর ভালবাসার বর
রেখেছে নির্বাচন করে
দু:খ দিয়ে কেন চলে গেলে এভাবে।
তুই এক দিন মা হবি,
বুঝবি সেই দিন মা,বাবার কষ্টের জ্বালা
অবিবাহিত আছ যত মেয়ে,
হতভাগা বাবার লেখা চিঠি দেখ পড়ে।