ওবাইদুল ইসলাম গাজীপুর প্রতিনিধি।।
গাজীপুরে কোটি টাকা মূল্যের বন বিভাগের জায়গায় একটি ফ্যাক্টরীর স্থাপনার নির্মান কাজ চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয়দের ধারণা,এক শ্রেনীর বন কর্মকর্তাদের সহযোগিতায়বন বিভাগের সরকারী জমি বেদখল হচ্ছে।
জানা গেছে, গাজীপুর সদর উপজেলার বি,কে,বাড়ী এলাকার হরাইজন গ্রুপ কর্তৃক গেজেট নোটিফিকেশন ভুক্ত বন বিভাগের জমি দখল করে কারখানা স্থাপনেরকাজ চলছে। গত ছয় মাস আগে সরকারি খাস জমির ওপর মাটি ফেলে বরাট করার চেষ্টা করলে বিট কর্মকর্তারা বাধাদিলে ফ্যাক্টরী কর্তৃপক্ষ মাটি সরিয়ে নেয়।পরে কাটা তার দিয়ে বেড়া দেয়।ফ্যাক্টরীর কর্মচারিদের মাধ্যমে রাতের আধারে কাটা তারের বেড়া সরিয়ে নেয় ফ্যাক্টরীর কর্তৃপক্ষ।গত মে মাসের প্রথম দিকে পুনরায় মাটি বরাটের কাজ শুরু করলে স্থানীয়রা বি,কে,বাড়ী বিট কর্মকর্তাকে মৌখিক বাবে ঘটনাটি জানায় ।বিট কর্মকর্তা বিষয়টি আমলে না নিয়ে নিরবে বসে থাকেন।এই বিট কর্মকর্তা আগামী মাসেই চাকরি থেকে অবসরে যাবে বলে জানা গেছে।
এই বিট কর্মকর্তা দেখেও যেন না দেখার ভান করেছে।শুধু হরাইজন গ্রুপ নয়,এধরণের বিভিন্ন ফ্যাক্টরীর গেটের সামনে দোকান বসিয়ে তাদের কাছ থেকে ৪০-৫০হাজার করে টাকা নিচ্ছেন।যদি কেউ টাকা দিতে না পারে তাহলে ভাংচুর করে সরিয়ে দেয়া হয়।এই ব্যাপারে বি,কে,বাড়ী বিট কর্মকর্তা সাইফুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে জানায়, তারের বেড়া ছিল ফ্যাক্টরীর কর্তৃপক্ষ রাতের আধারে সরিয়ে নিয়েছে।মাটি ভরাট করছে তা একবার সরিয়ে নিছে আবারও সরিয়ে নিবে।ওই কারখানা কতৃপক্ষের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা গ্রহন করছেন কিনা এমন প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন,এখনো কোন ব্যবস্থা গ্রহন করিনি।এটা আমার উর্ধতম কর্তৃপক্ষের নজরে আছে।ভা্ওয়াল রেঞ্জ কর্মকর্তা শাহ মোহাম্মদ হোসেনের কাছে এ ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন উর্ধতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া কিছু বলা জাবেনা ।
অথচ ভাওয়াল মির্জাপুরের ইউপি সদস্য আসকর আলী হাজারো মানুষেকে দূর্ভোগ থেকে রক্ষা করার জন্য ইউনিয়ন পরিষদ থেকে একটি বাজেট এনে কাজ করলে আসকর আলীসহ এলাকাবাসির নামে একটি মামলা করেন ওই বিট কর্মকর্তা ।
**ভা্ওয়াল রেঞ্জ সম্পর্কে আরও জানতে চোখ রাখোন……………..