নেত্রকোনায় দাবি আদায়ে কর্মীদের শাটডাউন, কাটা পল্লী বিদ্যুৎ
আরইবি-পল্লী বিদ্যুৎ একীভূতকরণ, একই চাকরির বিধিমালার দাবিসহ আরও নানা দাবিতে নেত্রকোনায় পল্লী বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছেন কর্মীরা। আজ সকাল নয়টা থেকে জেলার ১০টি উপজেলা আর সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলায় বিদ্যুৎ সংযোগ কেটেছে।
এদিকে, পল্লী বিদ্যুৎ খাতে অস্থিরতা সৃষ্টির, নির্দেশ অমান্য করার ও দাপ্তরিক নিয়ম ভঙ্গের অভিযোগে সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) মনির হোসেনকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। গতকাল বুধবার পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের পরিচালক (প্রশাসন) মাহফুজুল হক স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
নেত্রকোনা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সূত্রে জানা গেছে, কিছুদিন আগে আরইবি ও পল্লী বিদ্যুতের একীভূতকরণসহ একই চাকরির বিধিমালার দাবি জানিয়ে আন্দোলন শুরু করে কর্মীরা। সেই আন্দোলনে যুক্ত থাকার অভিযোগে ১০ জন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। তাঁদের চারজনকে আজ আটক করা হয়েছে। এর মধ্যে বারহাট্টা পল্লী বিদ্যুতের এজিএম মনির হোসেনকে সকাল পৌনে নয়টায় আটক করা হলে নেত্রকোনায় পল্লী বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে নেত্রকোনা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মহাব্যবস্থাপক মাসুম আহমেদ বলেন, ‘আমাদের দাবি আদায়ে কিছুদিন ধরেই শাটডাউন চলছে। আজ সকালে বারহাট্টা অফিসের এজিএমকে অন্যায়ভাবে আটক করা হয়েছে। এ নিয়ে জেলা প্রশাসক আমাদের ডেকেছেন। তাঁর সঙ্গে সভা হওয়ার পর পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’
বারহাট্টা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কামরুল হাসান বলেন, বারহাট্টা পল্লী বিদ্যুতের এজিএমকে পুলিশ আটক করেনি। আজ সকাল পৌনে নয়টায় তাঁকে সেনাবাহিনী আটক করে থানায় নিয়ে আসে। কিছুক্ষণ পরে তাঁকে ছেড়েও দেওয়া হয়েছে।
জেলা প্রশাসক বনানী বিশ্বাস বলেন, ‘নেত্রকোনায় পল্লী বিদ্যুতের পুরোটাই বন্ধ রয়েছে। পল্লী বিদ্যুতের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বসা হয়েছে। কিছুক্ষণের মধ্যে আমরা ইতিবাচক কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছতে পারি, এমনটাই আশা করছি।’