যশোরে গৃহবধূকে গণধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তাকে বাদ দিয়েই মামলা রুজু করেছে পুলিশ। ঘটনা তদন্তে অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে প্রধান করে ৩ সদস্যের কমিটি করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার রাতে নির্যাতিত গৃহবধূ বাদী হয়ে ৪ জনের নাম উল্লেখ করে শার্শা থানায় মামলা করেন। পুলিশ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে। তবে থানা বলছে, অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তা এস আই খায়রুলকে নির্যাতিতার সামনে হাজির করা হলে তাকে চিনতে না পারায় মামলায় তার নাম উল্লেখ করা হয়নি।
নির্যাতনের শিকার ওই নারী জানান, গত ২৫ আগস্ট রাতে তার স্বামীকে মাদক ব্যবসার অভিযোগে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যান এসআই খায়রুল। পরদিন তার কাছ থেকে ৫০ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার দেখিয়ে আদালতে চালান করে দেন।
গত সোমবার রাত আনুমানিক ২টার দিকে এসআই খায়রুল ও তার সোর্স বাড়িতে গিয়ে ওই নারীকে ঘুম থেকে ডেকে তোলে। এসময় স্বামীকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়ার কথা বলে এসআই খায়রুল ৫০ হাজার টাকা দাবি করেন। মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে আবার টাকা দাবি করা নিয়ে খায়রুলের সঙ্গে তার কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে খায়রুল ও তার সোর্স তাকে ধর্ষণ করেন। বিষয়টি কাউকে জানালে তাকেও মামলায় ফাঁসানোর হুমকিও দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন ওই নারী।
যশোরের পুলিশ সুপার (এসপি) মঈনুল হক জানান, অভিযোগ আমলে নিয়ে ঘটনা তদন্তের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ওই নারীকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনা সত্য হলে সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ওদিকে নারীঘটিত অপর এক ঘটনায় রাঙামাটির বরকল থানার কনস্টেবল কামরুল হাসান উপজেলার একটি রেস্ট হাউসে জনৈক প্রবাসীর স্ত্রীকে নিয়ে ওই রাত কাটানোর অনৈতিক কাজের অভিযোগে রোববার সকালে তাদের দুজনকে থানায় ধরে নিয়ে আসে পুলিশ।
জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বরকল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জসিম উদ্দিন তাদের থানা থেকে ছেড়ে দেন। ঘটনার পর কনস্টেবল কামরুলকে অসুস্থ দেখিয়ে জরুরি ছুটিতে পাঠান হয়েছে।