৫২ জাতীয় ডেস্ক।।
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বাঁশি বাজালে শাসকগোষ্ঠী উড়ে যাবে বলে মন্তব্য করেছেন দলের বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আজ (শুক্রবার) বেলা ১১টায় বগুড়া শহরের টিটু মিলনায়তনে এক কর্মী সমাবেশে তিনি এ মন্তব্য করেন।
বগুড়াবাসীর উদ্দেশে বিএনপি মহাসচিব বলেন, “বগুড়া-৬ (সদর) আসনে আমি ভোট করতে আসিনি। আমি নেত্রী খালেদা জিয়ার নির্দেশে এখানে তার প্রতিনিধি হিসেবে এসেছি।”
মির্জা ফখরুল বলেন, এ সরকার নেত্রী খালেদা জিয়া ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান রহমানকে ভয় পায়। তাই সুপ্রিমকোর্ট জামিন দেয়ার পরও অন্যায়ভাবে অন্ধকার কারাগারে আটকে রেখেছে আমাদের নেত্রীকে। তাই কোন্দল ভুলে ঐক্যবদ্ধভাবে বগুড়া সাতটি আসনসহ সারা দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে ধানের শীষকে বিজয়ী করতে হবে সবাইকে ধানের শীষে ভোট দিতে হবে।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার জগদ্দল পাথরের মত জাতির ঘরে চেপে আছে। আগামী ৩০ তারিখের ভোটের মাধ্যমে এই সরকারের পতন ঘটিয়ে ছাড়বে বিএনপি নেতাকর্মীরা।

নিজেদেরই আত্মরক্ষা করতে হবে: রিজভী
এদিকে, বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, আওয়ামী লীগ সমর্থকদের হামলা থেকে রক্ষা পেতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কোনো সহায়তা না পাওয়ায় নিজেদেরই আত্মরক্ষা করতে হবে।
আজ (শুক্রবার) রাজধানীর নয়াপল্টনে এক সংবাদ সম্মেলনে নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি এ আহ্বান জানান। রিজভী বলেন, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ও সরকার দলীয়রা যখন আমাদের ওপর হামলায় ব্যস্ত তখন এর দায় ইসি না নিয়ে তৃতীয় শক্তির কথা বলছেন, যা রহস্যজনক। তাদের বর্তমান কথাবার্তা সন্দেহজনক।
বিএনপি এ সিনিয়র নেতা বলেন, ইসি যদি সহিংসতা না চান তাহলে সেনা বাহিনীকে ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা দেওয়া হোক। দেশের পুলিশ-ইসি এখন সরকারের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে। আমরা রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ দুটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের প্রধানকে লিখিত ও মৌখিক অবহিত করার পরও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
রুহুল কবির অভিযোগ করে বলেন, আমাদের নির্বাচনী প্রচারণায় একের পর এক হামলা চালানো হচ্ছে। আওয়ামী লীগ সমর্থকদের হাত থেকে রক্ষা পাচ্ছে না নারীরাও। কক্সবাজার ও ঢাকায় নারী প্রার্থীরর ওপর হামলা করেছে তারা। একইসঙ্গে পুলিশ সদর দফতরের দুই ডিআইজির নেতৃত্বে সারা দেশের পুলিশ সুপারদের মাধ্যমে চলছে গায়েবি মামলা রুজু, হামলা ও গ্রেফতার।
তিনি বলেন, পুলিশ-র্যাবসহ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কাছ থেকে সহায়তা না পেলে আত্মরক্ষার্থে নিজেদের প্রতিরোধ গড়তে হবে। এটা দণ্ডবিধি আইনে আছে। আমাদের ওপর হামলা হবে আর আমরা বসে থাকব, এটা হতে পারে না।