মানিক মিয়া সদর প্রতিনিধিঃ
গাজীপুর সদরে ভাওয়ালগড় ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডে চারটি দোকানসহ ছয়টি বসত ঘর আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে । শুক্রবার দিবাগত রাত (১৮ এপ্রিল ২০২০) আড়াইটায় দিকে বাঘের বাজার শিরিরচালা এলাকায় ছফুরুদ্দীনের সন্তান বদিউজ্জামানের ৬টি ভাড়া দেওয়া টিনশেড রুম ও চারটি দোকানে এ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে।
বদিউজ্জামান জানান, এই অগ্নিকান্ডে তার বাড়ির ৬টি টিন সেড পাকা রুম ৪টি দোকান পুড়ে ছাই হয়েছে। সেখান থেকে কোন প্রকার মালামাল বা আসবাবপত্র উদ্ধার করতে পারে নি কেও । এবং চাকুরীজীবিদেরবেতনের নগদ টাকা সহ ৬ টি বাসা বাড়ির আসবাবপত্র ও মালামাল পুরে আনুমানিক ২৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানান তিনি।
এলাকাবাসী সুত্রে জানা গেছে, ব্যাটারি চালিত অটো রিকশার গ্যারেজ থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে।প্রাথমিক ভাবে এলাকাবাসী আগুন নেভানোর চেষ্টা করে ব্যর্থ হলে ফায়ার সার্ভিসকে ফোন করে। পরেফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌছানোর প্রায় ১ঘন্টা পর এলাকাবাসী ও ফায়ার সার্ভিসের সহায়তায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
মাওনা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন অফিসার রামপ্রসাদ পাল জানিয়েছেন, রাত আড়াইটায় ওখানে আগুন লাগার খবর পাই। ঘটনাস্থলে পৌঁছাই দুইটা ৪০ মিনিটে। দুইটি ইউনিটের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে তিনটা ৫ মিনিটে। ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যতিক শর্ট সার্কিটের কারনে আগুনের উৎপত্তি হয়েছে।
অগ্নিকান্ডের ঘটনাস্থলটি সকালে পরিদর্শন করেছেন- গাজীপুর সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুল আল জাকির, উপজেলার চেয়ারম্যান এ্যাডভোকেট রীনা পারভীন, উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান রিয়াজ উদ্দিন রিয়াজ, এবং ভাওয়ালগড় ইউপি চেয়ারম্যান আবু বক্কর সিদ্দিক সহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
গাজীপুর সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুল আল জাকির বলেন, এখানে যে কয়জন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তাদেরকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ সহায়তা থেকে আমরা তাৎক্ষণিকভাবে সহযোগিতা করেছি। এবং বাড়ির মালিক কেউ আশ্বাস দিয়েছি এই দুর্যোগ পরবর্তীতে তিনি যখন বাড়ি পুনরায় নির্মাণ কাজ শুরু করবেন তখন যা সহায়তা লাগবে আমরা তা করবো।
উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান এ্যাডভোকেট রিনা পারভীন বলেন, এখানে একটি দুর্ঘটনা সংবাদ শুনি সকালে। তখন মিনিমাম দশ জনের জন্য ত্রাণ সামগ্রী নিয়ে আসি এবং বাড়ির মালিক কে বলেছি উনাদের থাকার জন্য ব্যবস্থা করতে। আমরা পরবর্তীতে ওনাদের খাবারের ব্যবস্থা করব।
এবং ভাওয়ালগড় ইউপি চেয়ারম্যান আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, এখন যে ত্রানটা জেলা প্রশাসনের কাছ থেকে দিয়ে গেছে। এর পরবর্তীতে তালিকাভুক্ত করে খাবার শেষ হয়ে গেলে আবার তাদের খাবারের ব্যবস্থা করব।