কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের ছাত্রী সোহাগী জাহান তনুর নির্মম হত্যাকাণ্ডের মামলায় সেনাবাহিনী স্থানীয় পুলিশকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করছে বলে জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতর (আইএসপিআর)।
শুক্রবার রাতে আইএসপিআর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২০ মার্চ রাত আনুমানিক ১১টায় কুমিল্লা সেনানিবাসের সীমানা সংলগ্ন এলাকায় সোহাগী জাহান তনুর অচেতন দেহ খুঁজে পান তার বাবা ইয়ার আলী। যেখানে তনুর লাশ পাওয়া যায় সেখানে কোনও সীমানা প্রাচীর নেই।
তনুকে খুঁজে পেয়ে বাবা ইয়ার আলী মিলিটারি পুলিশকে খবর দেন। তাত্ক্ষণিকভাবে সোহাগীকে সিএমএইচ-এ নেয়া হলে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিত্সক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরবর্তীতে পুলিশ তার পোস্টমর্টেম কার্যক্রম সম্পন্ন করে। সোহাগী হত্যার কারণ উদঘাটনের জন্য ইতোমধ্যে কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সোহাগী হত্যার কারণ উদঘাটনে পুলিশ/প্রশাসনকে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান করছে সেনাবাহিনী।