৫২ ভোলা অফিস।।
ভোলা সদর উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ড শ্যামপুর গ্রামের এক মামলাবাজ রফিকের মিথ্যা হয়রানিমুলক মামলায় দিশেহারা তার তিন ভাই ও গ্রামের কিছু সাধারণ মানুষ।
তথ্য অনুসন্ধানে গিয়ে জানা যায়, ভোলা সদর উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের মৃত্যু শামছুল হক রাঢ়ীর দুই স্ত্রীর ঘরে ১২জন ছেলে মেয়ে এর মধ্যে রফিক প্রথম স্ত্রীর বড় ছেলে। ছোট থেকেই রফিক বিভিন্ন বাড়ীতে চুরি করার অপরাধে পূর্ব ইলিশা, রাজাপুরসহ বিভিন্ন জায়গায় আটক হয়ে গণধোলাইয়ের শিকার হয়েছেন।
রফিকের ছোট ভাই আবদুর রহিম বলেন,বাবা মৃত্যুবরণ করার পর রফিক আরো বেপরোয়া হয়ে পড়ে এক পর্যায়ে আমরা বাবার রেখে যাওয়া তিন একর ৫১ শতাংশ সম্পত্তি ১২জন ভাই বোনের মধ্যে ভাগবাটোয়ারা করতে গেলেই শক্রতা বাজে রফিকের সাথে। বের হয় এক সময়ের কুখ্যাত চোর রফিকের আসল রুপ, ভাই আবদুর রহিম, শেলিম, আলমগীর, ভাতিজা আলী হোসেন, আকবার হোসেন, ভাতিজি জামাই আক্তার হোসেন এবং ঐ গ্রামের ধলু ফরাজী, মোঃ জামাল, হোসেন ডাক্তার, রাজ্জাক মেম্বারসহ অনেকের বিরুদ্ধে এই পর্যন্ত ভোলার বিজ্ঞ আদালত, থানায় ও ইলিশা পুলিশ ফাঁড়িতে নিয়মিত মামলা ও অভিযোগসহ ২০ থেকে ২৫ টি দাখিল করেছেন ঐ রফিক ও তার ছেলে কামাল হোসেন এবং তার স্ত্রী রানু বেগম বাদী হয়ে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন সূত্রে মিথ্যা অভিযোগে আমাদের হয়রানি করেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য বাদী মোঃ রফিকুল ইসলাম একটি মিথ্যা অপহরণ মামলা করেন তার ছেলে কে নিজে সরিয়ে রেখে যা বর্তমান চলমান রয়েছে, এ ছাড়া ও রফিক বাদী যার নং এমপি -৪০৪/২০১৭ যা সিআইডি তদন্ত করে রিপোর্ট দিয়েছেন এবং মামলা নং ৮৮ /২০১৮ তার ছেলে কামাল বাদী বর্তমানে ৪ টি মামলার ও তার স্ত্রী রানু বেগম বাদী একটি ও থানায় এবং পুলিশ ফাঁড়িতে অভিযোগ দিয়েছে একাদিক যার মধ্যে ৬ টির কাগজ আমাদের হাতে রয়েছে।আবদুর রহিম আরো জানান এই ভাইয়ের মিথ্যা মামলার কারনে আজ আমরা দিশেহারা এবং আমার জমির ধান কাটতে পারছি না, আজ সকালে ও ইলিশা পুলিশ ফাঁড়ি থেকে পুলিশ নিয়ে ধানকাটা বন্ধ করে দিয়েছে ঐ রফিক। আমাদের এত হয়রানির পরে ও আমরা রফিকের বিরুদ্ধে একটি মামলা ও করিনি।রফিকের ভাই’রা বলেন আমরা ভোলার গণমানুষের নেতা আলহাজ্ব তোফায়েল আহমেদ এমপি মহোদয় ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি মামলাবাজ রফিকের মিথ্যা হয়রানীমুলক মামলা থেকে রক্ষা পেতে এবং আমাদের ওয়ারিশের জমি বুঝে পেতে। এই বিষয়ে অভিযুক্ত রফিক বলেন কাগজপত্র আমার সব ঠিক আছে এবং এই পর্যন্ত ৫/৭ টি মামলা দিয়েছি মাত্র। এই বিষয়ে স্থানীয় মেম্বার হেলাল উদ্দিন বলেন,রফিক এই পর্যন্ত তার ভাইদের বিরুদ্ধে ৮/১০ টি মামলা দিয়েছে এবং আমি একাদিকবার ফয়সালা করার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছি। রাজাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মিজানুর রহমান খান বলেন, রফিক হলো মামলাবাজ, ও জঘন্য খারাপ। ভোলা সদর থানার ওসি এনায়েত হোসেন বলেন, রফিক যে মামলাগুলো করেছে তা দেখে মিথ্যা প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিবো।