বাংলার ঐতিহাসিক রাজপ্রাসাদ
জৈন্তা রাজবাড়ি
জৈন্তা রাজবাড়িটি সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলায় অবস্থিত। এটি ১৫ শতকের শেষের দিকে নির্মিত হয়েছে। এই রাজ্যটি একসময় কানাইঘাট, গোলাপগঞ্জ, জকিগঞ্জ, গোয়াইনঘাট ও সিলেট সদর পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। রাজা জয়ন্ত রায়ের নামানুসারেই এই রাজ্যের নাম রাখা হয়েছে জৈন্তা।
রাজবাড়িতে বর্তমানে মোঘল স্থাপত্যের ধ্বংসাবশেষ, নরবলির স্থান, কূপ এবং দেয়ালে আঁকা চিত্র রয়েছে।
মির্জাজাঙ্গাল রাজবাড়ি
মির্জাজাঙ্গাল রাজবাড়িটি সিলেট নগরের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত। এটি ১৯ শতকের গোড়ার দিকে নির্মিত হয়েছে। রাজবাড়ির ধ্বংসাবশেষগুলির মধ্যে রয়েছে চারদিকের প্রাচীর, প্রধান দরজা এবং বারান্দা। মন্দিরে রাজা গম্ভীর সিংয়ের আমলের একটি ঘণ্টা রয়েছে, যাতে মণিপুরি ভাষায় খোদাই করা রয়েছে।
পুঠিয়া রাজবাড়ি
পুঠিয়া রাজবাড়িটি রাজশাহী জেলায় অবস্থিত। এটি 19 শতকের শেষের দিকে নির্মিত হয়েছে। রাজবাড়িটি 4.31 একর জমির ওপর অবস্থিত। এখানে রাধাসাগর দিঘি, মরাচৌকি দিঘি এবং হুগলা দিঘি রয়েছে। রাজবাড়ির পাশাপাশি পুঠিয়া রাজাদের পাঁচটি প্রাচীন মন্দির রয়েছে।
পি কে সেন ভবন
পি কে সেন ভবনটি চট্টগ্রামের সদরঘাট এলাকায় অবস্থিত। এটি 19 শতকের শেষের দিকে নির্মিত হয়েছে। একসময় চট্টগ্রামের সবচেয়ে উঁচু ভবন ছিল এটি। ভবনটিতে মোগল এবং বাঙালি স্থাপত্যের মিশ্রণ দেখা যায়।