৫২ আন্তর্জাতিক ডেস্ক।।
ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন আগাম নির্বাচন নিয়ে পার্লামেন্টে যে প্রস্তাব এনেছিলেন- তা দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় বাতিল হয়ে গেছে। এর আগে বিরোধীদের আনা চুক্তিবিহীন ব্রেক্সিট বন্ধের প্রস্তাব পাস হয়েছে হাউজ অব কমন্সে। এতে হতাশা প্রকাশ করে বরিস জনসন বলেছেন, সরকারের আনা একের পর এক প্রস্তাব যদি পার্লামেন্ট পাস না করে তাহলে সরকার পরিচালনা করা পুরোপুরি অসম্ভব।
বুধবার রাতে বিরোধী দল ও ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ দলের বিদ্রোহী এমপিরা ‘নো-ডিল ব্রেক্সিট’ বা চুক্তিবিহীন ব্রেক্সিট বন্ধের প্রস্তাব উত্থাপন করেন পার্লামেন্টে। ভোটাভুটিতে জনসনের নিজ দল কনজারভেটিভ পার্টির ২১ জন সদস্য তার বিরুদ্ধে ভোট দেন। ৩২৭-২৯৯ ভোটে চুক্তিবিহীন ব্রেক্সিট ঠেকানোর বিল পাস হওয়ার পর বরিস জনসন আগাম নির্বাচনে অনুষ্ঠানের জন্য পার্লামেন্টে একটি প্রস্তাব আনেন। এই প্রস্তাবটি পাস হতে প্রয়োজন হয় দুই-তৃতীয়াংশ এমপির সমর্থন। কিন্তু ভোট গ্রহণের পর ২৯৮-৫৬ ভোটে জয়লাভ করেন আগাম নির্বাচন বিরোধীরা।
প্রধান বিরোধী দল লেবার পার্টির অধিকাংশ এমপির পাশাপাশি স্কটিশ ন্যাশনালিস্ট পার্টির এমপিরা জনসনের প্রস্তাবের ওপর ভোটাভুটি থেকে বিরত থাকে।

এর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় বরিস জনসন বলেন, নির্বাচনই ছিল ব্রেক্সিট আলোচনা এগিয়ে নেয়ার একমাত্র উপায়। এখন নির্বাচনের বিপক্ষে সংসদ রায় দেয়ার পর পুরো বিষয়টিই এক অনিশ্চয়তার দিকে যাচ্ছে।
অপরদিকে লেবার পার্টির নেতা জেরমি করবিন প্রধানমন্ত্রীকে অভিযুক্ত করে বলেছেন, চুক্তিবিহীন ব্রেক্সিট বাস্তবায়নের জন্য তিনি নোংরা খেলায় মেতেছেন। তাদের দল আগাম নির্বাচনে সমর্থন দেবে। তবে তার আগে অবশ্যই ব্রেক্সিট বাস্তবায়ন পেছানোর বিল সংসদে পাস হতে হবে।