৫২ ক্রাইম রিপোর্ট ডেস্ক||
আইনশৃংখলা বাহিনীর সঙ্গে পৃথক ‘বন্দুকযুদ্ধে’ তিন দিনে ৯ জন নিহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার ঢাকা, রাজশাহী ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৪ জন; বুধবার বগুড়া ও যশোরে দু’জন নিহতের পর বৃহস্পতিবার রাজধানীতে দু’জন এবং গাইবান্ধায় একজন নিহতের খবর এল।
তিন দিনে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ৯ জনের মধ্যে ৫ জনই নিষিদ্ধঘোষিত জঙ্গি সংগঠন জেএমবির সদস্য বলে নিরাপত্তা বাহিনীর পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।
এছাড়া বাকিরা ডাকাত, ছিনতাইকতারী ও অজ্ঞান পার্টির দলের সদস্য বলে জানানো হয়।র্যাব জানায়, বুধবার গভীররাতে রাজধানীর রামপুরা ও তুরাগ থানা এলাকায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ দু’জন নিহত হয়েছেন।
নিহতরা হলেন- কামাল পারভেজ (৪৫) ও নজরুল ইসলাম (৪০)। এদের মধ্যে কামাল পারভেজ ছিনতাইয়ের সময় আটক হয়েছিলেন।
আর তুরাগ থানার প্রত্যাশা ব্রিজ এলাকায় র্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত নজরুল অজ্ঞান পার্টি চক্রের দলনেতা।
এদিন গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে ডিবির সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ৩৮ বছর বয়সী অজ্ঞাত পরিচয়ের এক যুবক নিহত হয়েছেন। তিনি জেএমবির সক্রিয় সদস্য বলে দাবি করেছে ডিবি।
এর আগে গত মঙ্গলবার রাজধানীর পল্লবীর কালশী এলাকায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হন ২ জন। এদের মধ্যে জয়পুরহাটের জঙ্গি তারেক হোসেন মিলু ওরফে ইসমাইল রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক রেজাউল করিম খুনে ও অপরজন দিনাজপুরের সুলতান মাহমুদ ওরফে রানা ওরফে কামাল বগুড়া শিয়া মসজিদে হামলার সঙ্গে জড়িত।
অপরদিকে মঙ্গলবার রাজশাহীতে নিহত চাঁপাইনবাবগঞ্জের জঙ্গি জামাল উদ্দিনকে বাঘমারায় কাদিয়ানি মসজিদে আত্মঘাতী হামলাকারী এবং বুধবার বগুড়ায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত কাউসারকে জেএমবি সদস্য দাবি করে পুলিশ বলছে, সেও বগুড়া শিয়া মসজিদে হামলায় অংশ নেয়।
গত রোববার চট্টগ্রামে পুলিশ কর্মকর্তা বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতুকে চট্টগ্রামের জিইসি মোড়ে ছুরিকাঘাত ও গুলি করে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা।
এ খুনে জঙ্গি সংশ্লিষ্টতা থাকতে পারে বলে ধারণা পুলিশের। এরপরই গত দুই দিনে রাজধানীসহ দেশের কয়েকটি স্থানে হঠাৎ ‘বন্দুকযুদ্ধের’ ঘটনায় ৯ জন নিহত হওয়ার খবর এল।