৫২ ভোলা প্রতিনিধি ॥ ভোলা সদর উপজেলার ৩নং পশ্চিম ইলিশা ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের সদুরচর গ্রামের রেখা আক্তার নামের এক এতিম শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। তথ্য অনুসন্ধানে গিয়ে জানাযায়, সদুরচর গ্রামের এতিম রেখা আক্তার (১৬) কে গত শুক্রবার রাতে রেখা আক্তার তার ভাই ও ভাবী বেরাতে যাওয়ায় ঐ ঘরে ঘুমিয়েছিলেন হঠাৎ রাত ১২ টার সময় স্থাণীয় নুরুল ইসলাম বয়াতীর ছেলে সাবেক মহিলা মেম্বার জোসনা বেগমের ভাই আলম রেখার ঘরে ঢুকে রেখার মুখ চেপে ধরে ধর্ষন করেছে বলে জানান রেখা আক্তার। রেখা আরো জানান, রেখাকে দুই বছর রেখে তার মা মৃত্যুবরণ করেন। এর পরে বাবা ও অন্যথায় চলে জান। রেখা তার ফুফু ও ভাইদের কাছেই বড় হয়েছে। কিন্তু শুক্রবার রাতে তার ভাই ও ভাবী বেড়াতে যাওয়ার এই সুযোগে ক্ষমতাধর সাবেক মহিলা মেম্বার জোসনা বেগমের ভাই আলম রেখার ঘরে ডুকে তাকে জোর পূর্বক ধর্ষণ চেষ্টা করে। রেখার ডাক চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে আসলে ধর্ষক আলম পালিয়ে যায়। এই বিষয়ে স্থানীয় আঞ্চলিক ও অনলাইনে প্রত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হলে ক্ষমতাধর সাবেক মহিলা মেম্বার জোসনা বেগম গোপনে গিয়ে এতিম রেখা আক্তারে পরিবারকে জিম্মি করে ১৭ হাজার টাকা ধর্ষণের মূল্য নির্ধারন করেন বলে জানান, রেখার ভাই ও তার ফুফু শাহিদা বেগম সহ স্থানীয় লোকজন। তারা জানান, সাবেক মহিলা মেম্বার জোসনা বেগম লোকজন নিয়ে আমাদের বাড়ীতে এসে এই ১৭ হাজার টাকা দিবে বলে জানান। এর বাহিরে আমরা কিছু বললে এই এলাকা ছাড়া করে দিবে বলে হুমকি দিয়ে যান জোসনা বেগম। আমাদের আর কি করার আছে ? স্থানীয় এক ব্যবসায়ী জানান, পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর জোসনা বেগম এসে ১৭ হাজার টাকা ইজ্জতের মূল্য নির্ধারন করে যায় এবং জোসনা বেগম এই বলে হুমকি দিয়ে যায়। আমাদের পরিবারের বিরুদ্ধে কোন পত্রিকায় ২য় বারের মতো সংবাদ প্রকাশ করার মতো সাহস ভোলার কোন সংবাদকর্মী হয়নি। এই বিষয়ে সাবেক মহিলা মেম্বার জোসন বেগমের বাড়ীতে গিয়ে তাকে ও তার ভাই ধর্ষক আলমকে পাওয়া যায়নি। এদিকে জোসনা বেগমের মেয়ে সাংবাদিকদেরকে দেখিয়ে নেওয়ার হুমকি দেয়। স্থানীয়দের দাবী এভাবে কি রাম রাজত্ব করবে জোসনা বেগম ? এতিম শিশুকে ধর্ষণের মূল্য কি ১৭ হাজার টাকাই কি বিচাঁর ? তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জোসনা বেগম ও তার ভাই আলমকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানিয়েছে।