আবু বক্কর সিদ্দিক, ৫২ গাইবান্ধা থেকে।।
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্থগিত হওয়া গাইবান্ধা-৩ (পলাশবাড়ি-সাদুল্যপুর) আসনে আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী ডাঃ ইউনুস আলী সরকার (নৌকা) ১ লাখ ২১ হাজার ১’শ ৬৩ ভোট পেয়ে বেসরকারীভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁরনিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টি (জাপা) মনোনীত প্রার্থী ব্যারিষ্টার দিলারা খন্দকার শিল্পী (লাঙ্গল) পেয়েছেন ২৪ হাজার ৩’শ ৮৫ ভোট। সংশ্লিষ্ট তথ্য নির্ভর সূত্রে জানা যায়, রবিবার রাতে জেলার পলাশবাড়ি ও সাদুল্যাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাদ্বয় নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করেন।এ নির্বাচনে জাসদ (মশাল) মনোনীত প্রার্থী এসএম খাদেমুল ইসলাম পেয়েছেন ১১ হাজার ৬’শ ৩০ ভোট। এছাড়া, ন্যাশনাল পিপলস পার্টি (এনপিপি) মনোনীত মিজানুর রহমান তিতু (আম) পেয়েছেন- ৫’শ ৪৪ ও স্বতন্ত্র প্রার্থী আবু জাফর জাহিদ (সিংহ) পেয়েছেন ১হাজার ৪৮ভোট। এ আসনে নৌকার বিজয়ের ফলে লাঙ্গলের দুর্গ ভেঙ্গেছে বলে মন্তব্য করেছেন সরকার দলের কিছু নেতাকর্মী। সাদুল্যাপুর ও পলাশবাড়ি উপজেলা নিয়ে গঠিত গাইবান্ধা-৩ আসনে মোট ভোটারের সংখ্যা ৪ লাখ ১১ হাজার ৮’শ ৫৪ জন। মোট ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা ১’শ ৩২টি। মোট ভোটারের সংখ্যা ৪ লক্ষ ১১ হাজার ৮’শ ৪১ জন। তম্মধ্যে নির্বাচনে বৈধ ভোট পড়েছে পলাশবাড়ি উপজেলায় ৮৩ হাজার ২’শ ৯৪ ও সাদুল্যাপুরে ৭৭ হাজার ১’শ ২০ ভোট। যা, ভগ্নাংশ হারে ৩৪ দশমিক ২৯। নির্বাচন চলাকালে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে অনিয়ম- দুর্নীতির অভিযোগ এনে জাসদ মনোনীত প্রার্থী এসএম খাদেমুল ইসলাম (খুদি) সকাল সাড়ে ১০টায় নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেন। এরপর বেলা ১১টায় একই ধরণের অভিযোগ উন্থাপন করলেও নির্বাচন বর্জন করেননি জাপা মনোনীত প্রার্থী ব্যারিষ্টার দিলারা খন্দকার শিল্পী (লাঙ্গল)। পরবর্তীতে ব্যারিষ্টার দিলারা খন্দকার শিল্পী তাঁর ফেইসবুকে যে স্ট্যাটাস দিয়েছেন। তা হুবহু উল্লেখ করা হলো-“লাগলের এজেন্টদেরকে ভোটকেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়া, ব্যালট বাক্স রদবদল, ব্যালট বাক্স ছিনতাই, ভরানো ব্যালট বাক্স যোগ করে গনতন্ত্রের কবর রচনা করে প্রহসনের নির্বাচনের মধ্য দিয়ে গাইবান্ধা-৩ আসনে শেষ হলো। নির্বাচন। আমি জানতাম এই সরকারের অধীনে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব নয়। তবুও নির্বাচনে অংশগ্রহন করেছিলাম নেতাকর্মীদের মন রক্ষা করার জন্য। আজ জাতির বিবেকের কাছে আমার প্রশ্ন প্রকৃত শৈরাচার কে?!” তবে, এসব অবভিযোগ প্রত্যাখান করে আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী ডা. ইউনুস আলী সরকার (নৌকা) জানান, শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। তিনি নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে ২ উপজেলাবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞা জানান। উল্লেখ্য, গত ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিতব্য একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে ২০ ডিসেম্বর ঐক্যফ্রন্ট (ধানের শীষ) মনোনীত প্রার্থী ড. টিআইএম ফজলে রাব্বীর মৃত্যুতে এ আসনের নির্বাচন স্থগিত করে পরবর্তী পুণঃতফশীল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। সে মোতাবেক
২৭ জানুয়ারী (রবিবার) সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে গ্রহণ গ্রহণ অনুষ্ঠিত।