**ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যকৃতের সিরোসিস বিষয়ে বিজ্ঞানের সেমিনার**
বাংলাদেশে প্রতি তিনজনের একজন ফ্যাটি লিভারে ভুগছেন। প্রায় ৪ কোটি ৫০ লাখ মানুষের ফ্যাটি লিভার রয়েছে এবং তাদের মধ্যে প্রায় এক কোটি মানুষের সিরোসিস বা যকৃতের ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। যকৃতে চর্বি জমলে হেপাটাইটিস ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বেশি। ফাইব্রোস্ক্যান নামক যন্ত্র দিয়ে যকৃতে কতটা চর্বি জমেছে তা নিখুঁতভাবে নির্ধারণ করা যায়। হেপাটাইটিসের প্রাথমিক অবস্থায় চিকিৎসা না করালে শেষ পর্যন্ত আক্রান্ত ব্যক্তি লিভার সিরোসিসে ভুগে থাকেন। যকৃতের সিরোসিস হলে যকৃতের ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মানুষের মৃত্যু হতে পারে।
ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ঢাকার আয়োজনে এবং কেএনএস কানাডা ইনক (বিডি)-এর সহযোগিতায় আজ সোমবার (২১ অক্টোবর) মেডিকেল কলেজের লেকচার গ্যালারিতে ‘ফাইব্রোস্ক্যান-দ্য ফার্স্ট অ্যান্ড অনলি কমপ্লিট প্ল্যাটফর্ম ফর দ্য ডায়াগনসিস অব দ্য কনসিকোয়েন্স অব ক্রনিক লিভার ডিজিজেস’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। সেমিনারে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা এ কথাগুলি বলেছেন। ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজের উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম ওয়াহিদুজ্জামান ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. আশীষ কুমার চক্রবর্তী।
সেমিনারে অধ্যাপক ডা. ওয়াহিদুজ্জামান ভূঁইয়া বলেন, ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল বেসরকারি হাসপাতাল হলেও সামাজিক দায়বদ্ধতা এই হাসপাতালের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। তাই যকৃতের সিরোসিসের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বৈজ্ঞানিক সেমিনার জনসাধারণকে যকৃত সম্পর্কে সচেতন করবে।
সেমিনারে যকৃত বিষয়ক বৈজ্ঞানিক তথ্য উপস্থাপন করেন হাসপাতালের হেপাটোলজি ও গ্যাস্ট্রোএন্টেরোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. আশিক আহমেদ ভূঁঞা, শেখ রাসেল জাতীয় গ্যাস্ট্রোলিভার ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের পরিপাকতন্ত্র ও যকৃত রোগ বিশেষজ্ঞ ডা. রাজীব দত্ত এবং কেএনএস কানাডা ইনকের প্রেসিডেন্ট ও সিইও শহীদ এইচ খন্দকার। কেএনএস কানাডা ইনক (বিডি) এর ডিরেক্টর তাসরিনা রহমান ধন্যবাদ বক্তব্য রাখেন।
সেমিনারে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হাসপাতালের পরিচালক (মেডিকেল সার্ভিসেস) অধ্যাপক ডা. এ কে মাহবুবুল হক, কলেজের একাডেমিক কো-অর্ডিনেটর অধ্যাপক ডা. ফাজলুল করিম, হাসপাতালের উপ-পরিচালক কাজী রফিকুল ইসলামসহ অন্যান্যরা।