চীনের নেতৃত্বাধীন **আরসিইপি** নামক বাণিজ্য জোটে যোগ দিতে আগ্রহী বাংলাদেশ। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এই জোটে বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তি চেয়ে সম্মতিপত্র পাঠিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে।
**আরসিইপি কি?**
আরসিইপি হল বিশ্বের সবচেয়ে বড় মুক্ত বাণিজ্য জোট। এর সদস্য দেশগুলির অর্থনৈতিক আকার বিশ্বের মোট আয়ের প্রায় ৩০ শতাংশ। এই জোটে চীন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ১০টি দেশ রয়েছে।
**আরসিইপিতে যোগ দেওয়ার সম্ভাব্য সুফল:**
* **রপ্তানি বৃদ্ধি:** বাংলাদেশ অন্যান্য সদস্য দেশগুলিতে পণ্য রপ্তানি বাড়াতে পারবে।
* **বিশ্ব অর্থনীতির সাথে সংযোগ:** এই জোট বিশ্ব অর্থনীতির প্রাণকেন্দ্র৷ এতে যোগ দিলে বাংলাদেশ এই কেন্দ্রের সাথে সংযুক্ত হবে৷
**আরসিইপিতে যোগ দেওয়ার সম্ভাব্য চ্যালেঞ্জ:**
* **শুল্ক ছাড়ের বিষয়টি:** জোটের সদস্য দেশগুলিকেও শুল্ক ছাড় দিতে হবে। বাংলাদেশ বর্তমানে চীন থেকে প্রায় ২ হাজার ৪০০ কোটি ডলারের পণ্য আমদানি করে, যার গড় শুল্ক ১০ শতাংশ।
* **রপ্তানি ক্ষমতা বাড়ানো:** আরসিইপিভুক্ত দেশগুলিতে তৈরি পোশাক রপ্তানি করার সুযোগ খুব কম। তাই বাংলাদেশকে তার রপ্তানি ক্ষমতা বাড়াতে হবে।
**সিদ্ধান্ত:**
অর্থনীতিবিদরা বলছেন, এলডিসি থেকে উত্তরণের পর বাংলাদেশের রপ্তানি বাড়ানোর জন্য নতুন বাজারের প্রয়োজন। আরসিইপি জোটে যোগ দিলে বাংলাদেশ এই সুযোগ পাবে। তবে, এই জোটে যোগ দেওয়ার আগে বাংলাদেশকে নিজের সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি উন্নত করতে হবে এবং রপ্তানি ক্ষমতা বাড়াতে হবে।