চাঁদপুরের হাইমচরে গত ৫ আগস্ট হামলায় নিহত আওয়ামী লীগ নেতা বাচ্চু মিয়া খানের মরদেহ মঙ্গলবার ময়নাতদন্তের জন্য কবর থেকে তোলা হয়েছে। উত্তর আলগী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন বাচ্চু মিয়া।
মঙ্গলবার সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ জাকারিয়া হোসেনের উপস্থিতিতে তার কবর থেকে মরদেহটি তোলা হয়। বাচ্চু মিয়া খান উত্তর আলগী ইউনিয়নের নয়ানী লক্ষ্মীপুর গ্রামের আবদুল মতিন খানের বড় ছেলে।
পরিবারের সদস্যরা জানান, ৫ আগস্ট সরকারদলীয় দলীয় কার্যালয়ে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নূর হোসেন পাটওয়ারীর বাড়িতে উপজেলা বিএনপির নেতা-কর্মীরা মিছিল নিয়ে হামলা চালান ও ভাঙচুর-লুটপাট করেন। এরপর তারা সেই বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেন। এ সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের ওপর হামলাকারীরা কুপিয়ে জখম করে।
স্থানীয়রা তাদেরকে হাইমচর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক বাচ্চু মিয়া খানকে ঢাকায় পাঠান। পরে তিনি ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৩ আগস্ট মারা যান।
এ ঘটনায় গত ২২ সেপ্টেম্বর নিহত বাচ্চু মিয়া খানের মা ফাতেমা বেগম ছেলে হত্যার বিচার চেয়ে হাইমচর থানায় অজ্ঞাতপরিচয় ১৫০ জনকে আসামি করে মামলা করেন। হত্যাকাণ্ডের প্রায় দুই মাস পর ময়নাতদন্তের জন্য নিহত ব্যক্তির মরদেহ উত্তোলন করা হয়েছে।
হাইমচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইয়াসিন জানান, হাইমচর থানায় করা মামলার পরিপ্রেক্ষিতে বাচ্চু মিয়া খানের মরদেহ উত্তোলন করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।