৫২ কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি।।
কুড়িগ্রামে গোয়েন্দাদের তালিকা ভূক্ত মাদকের পৃষ্ঠপোষকরা এখন এমপি প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ করেছেন। সমাজের চিহ্নিত এবং অপরাধী এসব ব্যক্তি জাতীয় সংসদের মত গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনে এমপি প্রার্থী হওয়ায় সচেতন মানুষের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
মাদকের পৃষ্ঠপোষক এসব ব্যক্তি এমপি প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পত্র সংগ্রহের খবরে এলাকার সাধারন মানুষের মাঝে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।। সাধারণ মানুষের দাবি সমাজে অপরাধমূলক কর্মকান্ডে জড়িত ব্যক্তিরা জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন পেলে ক্ষুন্ন হবে জনপ্রিয় রাজনৈতিক দলগুলোর ভাবমূর্তি এবং বেড়ে যাবে সামাজিক অবক্ষয়।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের উদ্যোগে একটি বিশেষ গোয়েন্দা সংস্থার মাধ্যমে সারা দেশের মাদক ব্যবসায়ীদের যে তালিকা বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে প্রকাশ করা হয়েছিল তাতে কুড়িগ্রাম জেলার মাদকের সাথে জড়িতদের স্পর্শকাতর ভয়াবহ তথ্য উঠে আসে। এই প্রতিবেদনে কুড়িগ্রাম জেলার শীর্ষ ৪৩ জন মাদক ব্যবসায়ীর নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এসব মাদক ব্যবসায়ীর প্রধান পৃষ্ঠপোষকদের তালিকায় আছেন রৌমারী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক এমপি জাকির হোসেন, একই উপজেলার যুবলীগ সভাপতি হারুন-অর রশিদ, রাজিবপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নূর আলম (শফিউল আলম), চিলমারী উপজেলার রমনা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান নুর-ই-এলাহী তুহিন, রাজিবপুর সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কামরুল আলম বাদল, ফুলবাড়ী দাসিয়ারছড়া গ্রামের সিরাজুল ইসলাম সেরা ও দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম বিএসসি।
এর মধ্যে আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রতিবেদন-৪ এ শীর্ষ ৪৩জন মাদক ব্যবসায়ীদের তালিকার প্রধান মাদকের পৃষ্ঠপোষক রৌমারী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক এমপি জাকির হোসেন, একই উপজেলার যুবলীগ সভাপতি হারুন-অর রশিদ, রাজিবপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নূর আলম (শফিউল আলম) আওয়ামীলীগের দলীয় মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ করেছেন।
সময়ের প্রেক্ষাপটে এসব মাদক ব্যবসায়ী ও পৃষ্ঠপোষকরা গাঁ ঢাকা দিতে নানা সামাজিক কর্মর্কান্ডে নিজেদেরকে জড়িয়ে ফেলছেন।আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সরকারের চলমান মাদক বিরোধী অভিযান শিথিল হওয়ায় অপরাধীরা স্বস্তিতে দিন পার করছে।